বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বাংলালিংকে ৬৪ টাকায় ১ জিবি! Banglalink 1GB only 64 Taka!

ফেব্রুয়ারী ২২-২৪ পর্যন্ত বাংলালিংক দিচ্ছে ১ জিবি ইন্টারনেট মাত্র ৬৪ টাকায়!
অফারটি পেতে ডায়াল করুন *১৩২*৬৪#(ব্যালেন্সে ৭৫+ টাকা রাখবেন)
এ অফারটির মেয়াদ ৫ দিন।

শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

গ্রামীণফোন এ ৬৪ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট Gp 1GB only 64 taka

গ্রামীণফোন দিচ্ছে ৬৪ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট!
যার মেয়াদ ৫দিন। অফারটি পেতে ডায়াল করুন *৫০০০*১৯২#(ব্যালেন্সে ৭৫+ টাকা রাখবেন)
ব্যালেন্স চেক করতে *১২১*১*২# ডায়াল করুন।

গ্রামীণফোন দিচ্ছে ২১ টাকায় ২১০ এমবি! Gp 21 taka 210MB

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে গ্রামীণফোন দিচ্ছে ২১ টাকায় ২১০ এমবি যার মেয়াদ ৩ দিন।
অফারটি পেতে ডায়াল করুন *৫০০০*১৯০# (ব্যালেন্সে ২৫ টাকা রাখবেন)
ব্যালেন্স চেক করতে *১২১*১*২# ডায়াল করুন। 

রবিতে ৩০ টাকায় ৫০০এম্বি Robi 500mb 30 taka

রবি দিচ্ছে ৫০০এম্বি ডাটা ৩০ টাকা+ভ্যাট = ৩৬ টাকায়
এই অফারটি নিতে ডায়াল করুন *৫০০০*৫০০৩০#
ব্যালেন্স চেক করতে *৮৪৪৪*৮৮# ডায়াল করুন। 

শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বাংলালিংক এ ৭২ টাকায় ১ জিবি ,১৩০ টাকায় ২ জিবি! সময় থাকতে নিয়ে নিন

১৯-২১ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বাংলালিংক দিচ্ছে ৭২ টাকায় ১ জিবি ,১৩০ টাকায় ২ জিবি!
১ জিবি পেতে ডায়াল করুন *১৩২*৭২# (ব্যালেন্স এ ৮৫+ টাকা রাখবেন)
২ জিবি পেতে ডায়াল করুন *১৩২*১৩০#(ব্যালেন্স এ ১৫৫+ টাকা রাখবেন)
ব্যালেন্স চেক করতে *১২৪*৬# ডায়াল করুন। 
উভয় প্যাক এর মেয়াদ ৫ দিন। 

মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

রবি বন্ধ সংযোগে ৯ টাকায় ১জিবি! Robi 1GB 9 taka

আসসালাম আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন।আপনাদের জন্য আজ রবি বন্ধ সংযোগের অফারের খবর নিয়ে এলাম। চলুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নিই। 
রবি বন্ধ সংযোগ চালু করলেই ৯ টাকায় পাচ্ছেন ১ জিবি ইন্টারনেট। ৬০ দিন বা তার বেশি দিন বন্ধ থাকা সিমের জন্য এ অফারটি প্রযোজ্য। আপনি এ অফারের জন্যে উপযুক্ত কিনা সেটা চেক করতে যে কোন রবি নম্বর থেকে বিনামূ্ল্যে এসএমএস পাঠান। এসএমএস এর ফরম্যাট হবে A<> 018........, এবং পাঠাতে হবে ৮০৫০ নম্বরে অথবা *৮০৫০# নাম্বার এ ডায়াল করে নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করে জেনে নিন আপনি অফারটি পাবেন কিনা। যদি আপনি অফারটির জন্য প্রযোজ্য হন তাহলে আপনার বন্ধ সিমটি চালু করুন এবং একটি কল অথবা এস.এম.এস করে ৭২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন।৭২ ঘন্টা পর ৯ টাকা+ভ্যাট=১০.৬৬ টাকায় ১জিবি নিতে ডায়াল করুন  *৮৬৬৬*০৯০#এর মেয়াদ হবে কেনার দিন থেকে ৭ দিন ।আপনি ৭ দিনের মধ্যে কেবল একবার এই প্যাক কিনতে পারবেন।মেয়াদকালীন সময়ে আপনি রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই প্যাক ব্যবহার করতে পারবেন।ব্যালেন্স চেক করতে *৮৪৪৪*৮৮# ডায়াল করুন। 
এছাড়াও বিনামূল্যে ৩ জিবি ফ্রি ইন্টারনেট পাবেন যদি আপনি বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে আপনার বন্ধ সিমটি রেজিস্ট্রেশন করেন।আপনি ৩ কিস্তিতে এ ৩ জিবি ডাটা উপভোগ করতে পারেন (প্রতি মাসে পাবেন ১ জিবি করে ডাটা)।
নিচের শর্তাবলি প্রযোজ্য ৩জিবি ডাটার জন্য-
>আপনি ৯ টাকা কিংবা ২৯ টাকা রিচার্জ করে সিমটি চালু করে বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ায় সিমটি রেজিস্ট্রেশন করার ৭২ ঘন্টার মধ্যে ১ম কিস্তি (১ জিবি ডাটা) পাবেন ।
>পরবর্তী ২ মাসে আরো ২ জিবি ডাটা বোনাস পাবেন (প্রতি মাসে ১ জিবি করে)। এজন্য প্রতি মাসে ন্যূনতম ২০ টাকা ব্যবহার করতে হবে।
>ফ্রি ডাটা প্যাকটি বুঝে পাওয়ার ১০ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই ডাটা ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়াও ৯ টাকা অথবা ২৯ টাকা রিচার্জ রিচার্জ করলে যে কোন রবি নম্বরে ০.৫ পয়সা/সেকেন্ড এবং অন্য যে কন নাম্বারে ১ পয়সা/সেকেন্ড। আপনি ৯ টাকা রিচার্জ করলে ১০ দিনের মেয়াদ এবং ২৯ টাকা রিচার্জ করলে ৩০ দিনের মেয়াদ পাবেন।
আজ এ পর্যন্ত।

সিটিসেল-ইতিহাস

সিটিসেল বাংলাদেশের প্রথম সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর। এটিই বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর। আগষ্ট ২০১১-এর হিসাব অনুযায়ী সিটিটেলের গ্রাহক সংখ্যা ১.৭৭৮ মিলিয়ন। সিটিসেল বর্তমানে ৪৫% সিংটেল-এর মালিকানায় এবং ৫৫% মালিকানায় রয়েছে প্যাসিফিক গ্রুপ ও ফার ইস্ট টেলিকমের।
২০০৭ সালের শেষের দিকে সিটিসেল নতুন লোগো উন্মোচন করে।

ইতিহাস-
সিটিসেল ১৯৮৯ সালে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্স পায়। তখন থেকে সিটিসেল বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ-এর মোবাইল সেবা প্রধানকারী অপারেটর হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
নাম্বারের ধরণ-
সিটিসেল এর নাম্বার শুরু হয় "০১১" দিয়ে। যেমন ০১১-১২৩৪৫৬৭৮ আন্তর্জাতিক কোড সহ ডায়াল করতে হলে এভাবে ডায়াল করতে হবে- +৮৮০১১১২৩৪৫৬৭৮ যেখানে +৮৮০ হলো বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড।
পন্য-
সিটিসেল তাদের গ্রাহকদের কে দুই ধরনের সেবা দিচ্ছে-
  • প্রিপেইড
  • পোষ্ট পেইড
সিটিটেল জুম-
সিটিসেল জুম হলো ইন্টাররেনট ডাটা প্ল্যান, যখন কেউ ইন্টারনেট ডাটা প্লান এর গ্রাহক হয় তখন সে একটি ইন্টারনেট ডংগল পায়, যা দিয়ে সে সিটিসেল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারে। দুটি উপায়েই (পোষ্ট পেইড বা প্রিপেইড) সিটিসেল জুম এর ডাটা প্লান গ্রাহক পেতে পারে। সাধারণ গতির চেয়ে একটু বেশী গতির ইন্টারনেট নিয়ে সিটিসেল এর নুতন ইন্টারনেট সার্ভিসের নাম হলো জুম আল্ট্রা।
গ্রাহক সেবা কেন্দ্র-
সিটিসেল এর অনেক গ্রাহক সেবা কেন্দ্র আছে পুরো বাংলাদেশ জুরে। আছে অনেক গ্রাহক সেবা কেন্দ্র পয়েন্ট।
সদর দপ্তর- ৮ম তলা প্যাসিফিক সেন্টার। ১৪, মহাখালী সি/এ ঢাকাবাংলাদেশ
স্লোগান- ''কারন আমরা যত্ববান''
ওয়েবসাইটwww.citycell.com
তথ্যসূত্র -উইকিপিডিয়া। 

এয়ারটেল-ইতিহাস

এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড ভারত ভিত্তিক ভারতী গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের একটি জিএসএম ভিত্তিক মোবাইল টেলিকম অপারেটর। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার মাধ্যমে বাংলাদেশে ওয়ারিদের যাত্রা শুরু। ১০ মে, ২০০৭ সালে ৬১টি জেলায় নেটওয়ার্ক কভারেজ প্রদানের মাধ্যমে এবং ৭০% জনসমষ্টিকে ঘিরে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালের জানুয়ারিতে ৭০% শেয়ার গ্রহণ করে এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড নাম ধারণ করে। একই বছরের ২০ ডিসেম্বর তা এয়ারটেল নামে সেবা প্রদান শুরু করে। বর্তমানে এয়ারটেল ৬৪টি জেলা শহরে এর নেটওয়ার্ক কভারেজ বিস্তৃত করেছে। মোট গ্রাহক সংখ্যা ২৯.৫৪ মিলিয়ন এবং ছয়টি মোবাইল টেলিকম অপারেটরের মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ। যা বাংলাদেশে +88016........ নাম্বারের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে ।

ইতিহাস-
২০০৫ সালের ডিসেম্বরে ওয়ারিদ টেলিকম ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি ৫০ মিলিয়ন ডলার এর বিনিময়ে বিটিআরসি থেকে বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ জিএসএম মোবাইল অপারেটর হিসাবে লাইসেন্স পায়।
নেটওয়ার্ক-
এয়ারটেল বর্তমানে দ্বিতীয় প্রজন্মের সেবা বা ২জি সেবার পাশাপাশি তৃতীয় প্রজন্মের নেটওয়ার্ক ৩জি সেবা প্রদান করছে।
এয়ারটেল তাদের গ্রাহকদেরকে দুটি পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করছে-
  • প্রি-পেইড
  • পোষ্ট-পেইড

গ্রাহক সেবা-

এয়ারটেল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাহক সেবার মাধ্যমে ও মোবাইলের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকে।

সদর দপ্তর- হাউজ ৩৪, রোড ১৯/এ, বনানী, ঢাকা ১২১৩,বাংলাদেশ
স্লোগান- ''বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল''।
ওয়েবসাইটbd.airtel.com
তথ্যসূত্র -উইকিপিডিয়া। 

রবি-ইতিহাস

রবি আজিয়াটা লিমিটেড বাংলাদেশের একটি মোবাইল ফোন কোম্পানি। যা আজিয়াটা গ্রুপ বারহাড, মালয়েশিয়া (৯২%) এবং এনটিটি ডোকোমো ইনকরপোরেটেড, জাপান (৮%)-এর একটি যৌথ প্রতিষ্ঠান। এই কোম্পানি ব্যবহারকারী ও আয়ের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম মোবাইল ফোন কোম্পানি
রবি আজিয়াটা আগে টেলিকম মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ) নামে পরিচিত ছিল। একটেল ব্র্যান্ড হিসেবে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে এর যাত্রা শুরু হয়। ২০১০ সালের ২৮ মার্চ, এই সেবাটি ‘রবি’ ব্র্যান্ড হিসেবে অভিহিত হয়, এবং প্রতিষ্ঠানটি রবি আজিয়াটা লিমিটেড নামে পরিচিত হয়।

২ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহক নিয়ে রবি বর্তমানে বাংলাদেশের ৩য় বৃহত্তম মোবাইল ফোন সেবাদাতা কোম্পানি। বাংলাদেশে রবি সর্বপ্রথম জি.পি.আর.এস. (মোবাইল ইন্টারনেট) সেবা প্রদান করে। রবি রোমিং সেবার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুই শতাধিক অন্য মোবাইল সেবাদাতা কোম্পানির সাথে সংযুক্ত রয়েছে, এর মধ্যে ৫০ টিরও বেশি অপারেটর এর সাথে জি পি আর এস রোমিং চুক্তি রয়েছে। রবি বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এর স্পন্সর।
নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি-
জি.এস.এম/জি.পি.আর.এস ব্যান্ড ৯০০ মেগাহার্টজ। রবি'র রয়েছে বিশ্বের ১৭০টি দেশের ৪০০ মোবাইল ফোন অপারেটরের সাথে রোমিং ব্যবস্থা। এটি বাংলাদেশে প্রথম জিপিআরএস ব্যবস্থা চালু করে। রবি ব্যবহার করে জিএসএম ৯০০/১৮০০ মেগাহার্টজ।বর্তমানে দেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে মোবাইল ফোন সেবা প্রদানের জন্য অনুমোদিত ৬১ টি জেলাতেই রবির এর নেটওয়ার্ক রয়েছে। বর্তমানে এটি ৩.৫জি ইন্টারনেট সেবা দেয়া শুরু করেছে।

ইতিহাস-

রবি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সেবাদান কার্যক্রম শুরু করে ১৫ই নভেম্বর ১৯৯৭ ঢাকায় এবং ২৬শে মার্চ ১৯৯৮ চট্টগ্রামে। পরবর্তীকালে ১৯৯৮ সালের স্বাধীনতা দিবস, ২৬ মার্চ তারিখ থেকে চট্টগ্রামে কার্যক্রম শুরু করে এবং ক্রমান্বয়ে সারাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করে। রবি'র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম জহিরউদ্দিন খান, প্রাক্তন বাণিজ্য মন্ত্রী। রবি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল টেলিকম মালয়েশিয়া এবং এ কে খান কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে।

গ্রাহক নাম্বার-

+৮৮০ ১৮.....যেখানে +৮৮০ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কোড। (+৮৮০) ১৮ হল রবি গ্রাহকদের জন্য সরকারের নির্ধারিত কোড। ৮ ডিজিট হল গ্রাহকের নম্বর।

গ্রাহক সেবা
রবির ২৩টি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র রয়েছে।
সদর দপ্তররবি কর্পোরেট অফিস, ৫৩ গুলশান দক্ষিণ এভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকাবাংলাদেশ
স্লোগান- ''জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে''।   
ওয়েবসাইট-www.robi.com.bd
তথ্যসূত্র -উইকিপিডিয়া। 

টেলিটক-ইতিহাস

''টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড'' বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রয়াত্ত মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। এর ব্র্যান্ড নাম "টেলিটক''।এটি বাংলাদেশের একটি জিএসএম ও থ্রিজি ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল ফোন কোম্পানি। টেলিটক ২৯ ডিসেম্বর ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে। এটা বাংলাদেশ সরকারের একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিফোন অপারেটর। টেলিটক জিপিআরএস, এজ এবং থ্রিজি ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান শুরু করে অক্টোবর ১৪,২০১২ থেকে। টেলিটক বিটিটিবি (বর্তমানে বিটিসিএল) তার গ্রাহকদের জন্য ইনকামিং সুবিধা দেওয়া দেশের প্রথম অপারেটর। টেলিটক এর মিশন বিবৃতি "দেশের টাকা দেশেই রাখুন" । টেলিটক এপ্রিল 2012 হিসাবে অধিক ১.২৯৫ মিলিয়ন সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশে 6 নং স্থান অধিকারি মোবাইল ফোন অপারেটর।


সেবা-
১.প্রি-পেইড সংযোগ প্যাকেজে স্বাধীন শাপলা (১ সেকেন্ড পাল্স), বিজয় (১ সেকেন্ড পাল্স), আগামী (শুধু এইচএসসি পরীক্ষায় GPA5 ধারক জন্য), একুশ (ভিডিও ও অডিও কলে ৫ সেকেন্ড পালস) ২. পোস্ট-পেইড সংযোগ ৩.ইন্টারনেট সার্ভিস ২৫৬কেবিপিএস-৪এমবিপিএস।

স্পেশাল প্যাকেজ-
>আগামী সিম
এসএসসি পরিক্ষার্থীয় জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের জন্য টেলিটকের স্পেশাল প্যাকেজ ৷
>বর্ণমালা সিম
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যে সাশ্রয়ী কলরেট ও ইন্টারনেট প্যাকেজ সমৃদ্ধ বিশেষ বর্ণমালা সিম প্রথম ২০১৫ সালে অমর একুশে বইমেলায় শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্পমূল্যে প্রদান করা হয়।
গ্রাহক নম্বর-
টেলিটক গ্রাহকদেরকে নিচের নিয়মে নম্বর প্রদান করে থাকেঃ
+৮৮০ ১৫********
যেখানে +৮৮০ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কোড (+৮৮০)১৫ হল টেলিটকের গ্রাহকদের জন্য সরকারের নির্ধারিত কোড। ৮ ডিজিটের ******** হল গ্রাহকের নম্বর।
সদর দপ্তরবাড়ি নং - ৪১, সড়ক নং - ২৭, ব্লক - এ, বনানী,ঢাকা
স্লোগান- ''আমাদের ফোন'',''বাধ ভেঙ্গে দাও''।   
ওয়েবসাইট-www.teletalk.com.bd
তথ্যসূত্র -উইকিপিডিয়া। 

বাংলালিংক-ইতিহাস

বাংলালিংক বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।প্রতিষ্ঠানটি ওরাসকম টেলিকম এর মালিকানাধীন একটি কোম্পানি।১৯৯৯ সালে সেবা টেলিকম (প্রা.) লিমিটেড ১৯৯টি গ্রামীণ উপজেলায় টেলিফোন সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নিবন্ধীকরন করে। পরবর্তীকালে তারা সেলুলার রেডিও-টেলিফোন সেবার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম বর্ধিত করে। ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে বাংলালিংক বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারী মোবাইল ফোন সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিটিটিবি সংযোগ থেকে মোবাইল ফোনে বিনামূল্য টেলিফোন কল ধরার সুযোগ করে দেয়।
১৯৮৯ সালে সেবা টেলিকম (প্রা.) লিমিটেড ১৯৯ টি গ্রামীণ উপজেলায় টেলিফোন সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নিবন্ধীকরন করে। পরবর্তীকালে তারা সেলুলার রেডিও-টেলিফোন সেবার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম বর্ধিত করে।
২০০৪ সালের জুলাই মাসে ওরাসকম টেলিকম সেবা টেলিকমের মালয়েশিয়ান অংশীদারীত্ব কিনে নেয়। এর কারণ ছিল বাংলাদেশে ব্যবসা প্রসারে মালয়েশিয়ান অংশীদারের ব্যর্থতা। ওরাসকমের সাথে ২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি গোপনে সম্পাদিত হয়। বিভিন্ন আইনগত ঝামেলা এড়াতে এই গোপন চুক্তি হয়েছিল। গোপনে এই চুক্তি করার প্রধান কারণ ছিল, বাংলাদেশী ও মালয়েশীয় অংশীদারের মধ্যে চুক্তি বিদ্যমান থাকায় যেকোন পক্ষ শেয়ার বিক্রয় করতে চাইলে অন্য পক্ষ তা কেনার প্রথম সুযোগ পাবে।
ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএসএল), যারা সেবা টেলিকমের বাংলাদেশী অংশীদার, প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে মালয়েশীয় অংশীদার টেকনোলজি রিসোর্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর শেয়ার ১৫ মিলিয়ন ডলারে কিনেছে বলে দেখানো হয়। আইএসএল পরে আরো ১০ মিলিয়ন ডলার স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংককে পরিশোধ করে সেবার দায় শোধ করে। সেবা টেলিকমের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৫৯,০০০ যাদের মধ্যে বিক্রির সময় নিয়মিত গ্রাহক ছিল মাত্র ৪৯,০০০।
২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওরাসকম টেলিকম সেবা টেলিকমের ১০০% শেয়ার কিনে নেয়। এরা ৬০ মিলিয়ন ডলার মূলধন বিনিয়োগ করে এবং টেলিফোন ব্র্যান্ডের নাম পরিবর্তন করে রাখে বাংলালিংক। ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলালিংক নামে এরা পুনরায় যাত্রা শুরু করে।২০১৫ সাল পর্যন্ত এর গ্রাহক ছিল ৩ কোটিরও বেশী।
সেবাসমূহ-
সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন দুই ধরনের মোবাইল সেবা দিয়ে থাকেঃ ১)পোস্ট-পেইড সংযোগ এবং ২)প্রি-পেইড সংযোগ।
অন্যান্য সেবার মধ্যে এসএমএস ভয়েস এসএমএস পুশ-পুল সার্ভিস, ভিএমএস,ফ্যাক্স, ওয়েলকাম টিউন, রিংব্যাক টোন এবং মিসড কল এলার্ট প্রভৃতি সেবা অন্যতম। ২০১৩ সালে ৩জি নেটওয়ার্ক এর পূর্বে ২জি সেবা প্রদান করে।বর্তমানে বাংলালিংক সারাদেশে ৩জি সেবা প্রদান করছে।
সদর দপ্তরটাইগার হাউজ, বাড়ী- এসডব্লিউ(H)০৪, গুলশান অ্যাভিনিউ, গুলশান মডেল টাউনঢাকাবাংলাদেশ
সহযোগী প্রতিষ্ঠান- ওরাসকম টেলিকম
স্লোগান- ''You, first!'',''দিন বদলের চেষ্টায়'',''নতুন কিছু করো''। 
ওয়েবসাইট- www.banglalink.com.bd
তথ্যসূত্র -উইকিপিডিয়া। 

সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

গ্রামীণফোন-ইতিহাস

BD Operator News: গ্রামীণফোন ইতিহাস

বর্তমানে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন সেবাদাতা কোম্পানি।এটি ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ থেকে এদেশে তার কার্যক্রম শুরু করে।এর পূর্বে ১৯৯৬ সালের ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পায়।বর্তমানে (অক্টোবর ২০১৪) ৫ কোটিরও বেশী গ্রাহক গ্রামীফোনের।বর্তমানে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের ৫০ শতাংশেরও বেশী অংশ দখল করে আছে।সুতরাং বলা যায় ,বর্তমানে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রামীণফোন আধিপত্য করছে। 

সেবাসমূহ-
সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন দুই ধরনের মোবাইল সেবা দিয়ে থাকেঃ ১)পোস্ট-পেইড সংযোগ এবং ২)প্রি-পেইড সংযোগ।
প্রি-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-
  • স্মাইল (শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মোবাইল থেকে মোবাইল সংযোগ)
  • স্মাইল পিএসটিএন (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
  • ডিজ্যুস (তরুণদের জন্য বিশেষ সংযোগ)
এছাড়াও বর্তমানে চালু হয়েছে আরো কয়টি প্যাকেজ ৷ যেমনঃ সহজ, বন্ধু, আপন এবং নিশ্চিন্ত।
পোস্ট-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-
  • এক্সপ্লোর প্যাকেজ ১ (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
  • এক্সপ্লোর প্যাকেজ ২ (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
এছাড়াও গ্রামীণফোন সারাদেশে মোবাইল ফোন ও মডেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকে।অন্যান্য সেবার মধ্যে এসএমএস ভয়েস এসএমএস পুশ-পুল সার্ভিস, ভিএমএস,ফ্যাক্স, ওয়েলকাম টিউন, রিংব্যাক টোন এবং মিসড কল এলার্ট প্রভৃতি সেবা অন্যতম। 
২০১৩ সালে ৩জি নেটওয়ার্ক এর পূর্বে ২জি সেবা প্রদান করে। গ্রাহক পর্যায় গ্রামীফোনের সফলতার পাশাপাশি গ্রামীফোনের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নানা অভিযোগ আছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো উচ্চমূল্যের ইন্টারনেট সার্ভিস। 
সদর দপ্তর-জিপি হাউজ, বসুন্ধরা, বারিধারা,ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ। 

সহযোগী প্রতিষ্ঠান -টেলিনর (৫৫.৮ শতাংশ), গ্রামীণ টেলিকম (৩৪.২ শতাংশ), জনগণ (১০ শতাংশ। 

স্লোগান -''We are here to help'', ''চলো বাংলাদেশ , চল  বহুদূর''। 

ওয়েবসাইট -www.grameenphone.com/
তথ্যসূত্র -উইকিপিডিয়া। 

অন্যান্য


সিটিসেল Citycell

সিটিসেল-ইতিহাস

সিটিসেল বাংলাদেশের প্রথম সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর। এটিই বাংলাদেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর। আগষ্ট ২০১১-এর হিসাব অনুযায়ী সিটিটেলের গ্রাহক সংখ্যা ১.৭৭৮ মিলিয়ন। সিটিসেল বর্তমানে ৪৫% সিংটেল-এর মালিকানায় এবং ৫৫% মালিকানায় রয়েছে প্যাসিফিক গ্রুপ ও ফার ইস্ট টেলিকমের...সম্পূর্ণ পড়ুন

এয়ারটেল Airtel

এয়ারটেল-ইতিহাস

এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড ভারত ভিত্তিক ভারতী গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের একটি জিএসএম ভিত্তিক মোবাইল টেলিকম অপারেটর। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার মাধ্যমে বাংলাদেশে ওয়ারিদের যাত্রা শুরু। ১০ মে, ২০০৭ সালে ৬১টি জেলায় নেটওয়ার্ক কভারেজ প্রদানের মাধ্যমে এবং ৭০% জনসমষ্টিকে...সম্পূর্ণ পড়ুন

টেলিটক Teletalk

টেলিটক-ইতিহাস

''টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড'' বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রয়াত্ত মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। এর ব্র্যান্ড নাম "টেলিটক''।এটি বাংলাদেশের একটি জিএসএম ও থ্রিজি ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল ফোন কোম্পানি। টেলিটক ২৯ ডিসেম্বর ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে। এটা বাংলাদেশ সরকারের একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিফোন অপারেটর...সম্পূর্ণ পড়ুন

রবি Robi

রবিতে ৩০ টাকায় ৫০০এম্বি Robi 500mb 30 taka

রবি দিচ্ছে ৫০০এম্বি ডাটা ৩০ টাকা+ভ্যাট = ৩৫.৫৩ টাকায়।..সম্পূর্ণ পড়ুন


রবি বন্ধ সংযোগে ৯ টাকায় ১জিবি!

আসসালাম আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন।আপনাদের জন্য আজ রবি বন্ধ সংযোগের অফারের খবর নিয়ে এলাম। চলুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নিই। 
রবি বন্ধ সংযোগ চালু করলেই ৯ টাকায় পাচ্ছেন ১ জিবি ইন্টারনেট...সম্পূর্ণ পড়ুন




রবি-ইতিহাস

রবি আজিয়াটা লিমিটেড বাংলাদেশের একটি মোবাইল ফোন কোম্পানি। যা আজিয়াটা গ্রুপ বারহাড, মালয়েশিয়া (৯২%) এবং এনটিটি ডোকোমো ইনকরপোরেটেড, জাপান (৮%)-এর একটি যৌথ প্রতিষ্ঠান। এই কোম্পানি ব্যবহারকারী ও আয়ের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম মোবাইল ফোন কোম্পানি...সম্পূর্ণ পড়ুন

বাংলালিংক Banglalink

বাংলালিংকে ৬৪ টাকায় ১ জিবি! Banglalink 1GB only 64 Taka!

ফেব্রুয়ারী ২২-২৪ পর্যন্ত বাংলালিংক দিচ্ছে ১ জিবি ইন্টারনেট মাত্র ৬৪ টাকায়!
অফারটি পেতে ডায়াল করুন...সম্পূর্ণ পড়ুন



বাংলালিংক এ ৭২ টাকায় ১ জিবি ,১৩০ টাকায় ২ জিবি! সময় থাকতে নিয়ে নিন

১৯-২১ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বাংলালিংক দিচ্ছে ৭২ টাকায় ১ জিবি ,১৩০ টাকায় ২ জিবি!...সম্পূর্ণ পড়ুন

বাংলালিংক-ইতিহাস

           বাংলালিংক বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।প্রতিষ্ঠানটি ওরাসকম টেলিকম এর মালিকানাধীন একটি কোম্পানি।১৯৯৯ সালে সেবা টেলিকম (প্রা.) লিমিটেড ১৯৯টি গ্রামীণ উপজেলায় টেলিফোন সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নিবন্ধীকরন করে। পরবর্তীকালে তারা সেলুলার রেডিও-টেলিফোন সেবার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম বর্ধিত করে...সম্পূর্ণ পড়ুন

গ্রামীণফোন Grameenphone

গ্রামীণফোন এ ৬৪ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট Gp 1GB only 64 taka

গ্রামীণফোন দিচ্ছে ৬৪ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট!
যার মেয়াদ ৫দিন। অফারটি পেতে ডায়াল করুন...সম্পূর্ণ পড়ুন

গ্রামীণফোন দিচ্ছে ২১ টাকায় ২১০ এমবি! Gp 21 taka 210MB

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে গ্রামীণফোন দিচ্ছে ২১ টাকায় ২১০ এমবি যার মেয়াদ ৩ দিন।
অফারটি পেতে ডায়াল...সম্পূর্ণ পড়ুন

বর্তমানে গ্রামীণফোন  বাংলাদেশের  সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন সেবাদাতা কোম্পানি। এটি ১৯৯৭  সালের ২৬ মার্চ  থেকে এদেশে তার কার্যক্রম শুরু করে।

এর পূর্বে ১৯৯৬ সালের ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পায়...সম্পূর্ণ পড়ুন