সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

গ্রামীণফোন-ইতিহাস

BD Operator News: গ্রামীণফোন ইতিহাস

বর্তমানে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন সেবাদাতা কোম্পানি।এটি ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ থেকে এদেশে তার কার্যক্রম শুরু করে।এর পূর্বে ১৯৯৬ সালের ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পায়।বর্তমানে (অক্টোবর ২০১৪) ৫ কোটিরও বেশী গ্রাহক গ্রামীফোনের।বর্তমানে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের ৫০ শতাংশেরও বেশী অংশ দখল করে আছে।সুতরাং বলা যায় ,বর্তমানে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রামীণফোন আধিপত্য করছে। 

সেবাসমূহ-
সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন দুই ধরনের মোবাইল সেবা দিয়ে থাকেঃ ১)পোস্ট-পেইড সংযোগ এবং ২)প্রি-পেইড সংযোগ।
প্রি-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-
  • স্মাইল (শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মোবাইল থেকে মোবাইল সংযোগ)
  • স্মাইল পিএসটিএন (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
  • ডিজ্যুস (তরুণদের জন্য বিশেষ সংযোগ)
এছাড়াও বর্তমানে চালু হয়েছে আরো কয়টি প্যাকেজ ৷ যেমনঃ সহজ, বন্ধু, আপন এবং নিশ্চিন্ত।
পোস্ট-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-
  • এক্সপ্লোর প্যাকেজ ১ (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
  • এক্সপ্লোর প্যাকেজ ২ (আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
এছাড়াও গ্রামীণফোন সারাদেশে মোবাইল ফোন ও মডেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকে।অন্যান্য সেবার মধ্যে এসএমএস ভয়েস এসএমএস পুশ-পুল সার্ভিস, ভিএমএস,ফ্যাক্স, ওয়েলকাম টিউন, রিংব্যাক টোন এবং মিসড কল এলার্ট প্রভৃতি সেবা অন্যতম। 
২০১৩ সালে ৩জি নেটওয়ার্ক এর পূর্বে ২জি সেবা প্রদান করে। গ্রাহক পর্যায় গ্রামীফোনের সফলতার পাশাপাশি গ্রামীফোনের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নানা অভিযোগ আছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো উচ্চমূল্যের ইন্টারনেট সার্ভিস। 
সদর দপ্তর-জিপি হাউজ, বসুন্ধরা, বারিধারা,ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ। 

সহযোগী প্রতিষ্ঠান -টেলিনর (৫৫.৮ শতাংশ), গ্রামীণ টেলিকম (৩৪.২ শতাংশ), জনগণ (১০ শতাংশ। 

স্লোগান -''We are here to help'', ''চলো বাংলাদেশ , চল  বহুদূর''। 

ওয়েবসাইট -www.grameenphone.com/
তথ্যসূত্র -উইকিপিডিয়া। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন